টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম স্টেপ বাই স্টেপ

নতুন ভোটার হওয়ার সাথে সাথেই কিন্তু আমাদের ভোটার কার্ড পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। তাই আমাদের আলাদাভাবে আইডি কার্ড বেড় করে নিতে হয়। এর জন্য কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করতে হয়। আর তাই আজকে আপনাকে শিখিয়ে দিবো টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম এবং ডাউনলোড করে ফোনে রাখার উপায়।

আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা জেনে থাকবেন ভোটার টোকেন নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড বের করা যায় কিন্তু সঠিক নিয়ম না জানার কারণে আইডি কার্ড বের করতে পারেননা।

আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাকে দেখিয়ে দিবো কিভাবে আপনি ভোটার টোকেন নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড বের করে ফেলতে পারবেন। আপনাকে শুধু নিয়ম গুলো ফলো করতে হবে এবং যা যা বলি সমস্ত কিছু করতে হবে।

এর জন্য আপনার হাতে একটি স্মার্ট ফোন অথবা ল্যাপটপ থাকতে হবে এবং সেই সাথে ইন্টারনেট সংযোগ। ইন্টারনেট না থাকলে এটি কোনোভাবেই বের করা সম্ভব নয় কারণ আইডি কার্ড গুলো সার্ভারে আপডেট করা থাকে।

তাহলে চলুন দেখেনেই,

কার্ড বের করার নিয়ম দেখুন এখানে

বিশেষ যে কথাটি আপনার জানা থাকা দরকার, আপনি ভোটার হওয়ার পরে যেদিন ছবি তুলবে এবং হাতের ছাপ ও চোখের ছাপ দিবেন তার কিছুদিন পর আইডি কার্ড অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

তাছাড়া কোনভাবেই সম্ভব নয় কারণ ছবি তোলার দিন আপনার সমস্ত তথ্য অনলাইনে সাবমিট করা হয় আর তার পূর্বে সব কিছু শুধু কাগজেই লেখা থাকে। যদি আপনার সমস্ত কিছু কনফ্রাম হয়ে যায় তাহলেই আপনি নিজের আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

এই কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার পেছনে কারণ রয়েছে, অনেকেই আছেন ভোটার হওয়ার কিছুদিন পরেই নিজের আইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য কোন একটি হাবে গিয়ে থাকেন অথবা গুগলে সার্চ করে থাকেন কিন্তু কোনোভাবেই তার আইডি কার্ডটি খুজে পাননা।

এই সমস্যার মধ্যে অনেকেই পরতে পারেন তাই বিষয়টি আপনাকে জানিয়ে রাখলাম যেন কোন প্রকার দিধাদন্দ না থাকে।

আইডি কার্ড টোকেন নাম্বার

আমরা যখন ভোটার হয় তখন যে ফর্মটি পূরণ করে সেই ফর্মের একটি নাম্বার আমাদের দিয়ে দেয়া হয় আর সেটিতে একটি নাম্বার থাকে যাকে বলা হয় টোকেন নাম্বার। এই টোকেন নাম্বার অবশ্যই আপনার কাছে থাকতে হবে নতুবা কোনোভাবেই কার্ড ডাউনলোড করা যাবেনা।

আপনি অবশ্যই এই টোকেন নাম্বার চেয়ে নিবেন। আর যদি আপনার কাছে এই টোকেন নাম্বার থাকে তাহলে আপনি অনলাইন থেকে আইডি কার্ড চেক করতে পারবেন এবং ডাউনলোড করতে পারবেন।

এখন আপনি মাত্র কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলেই নিজের আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন তাহলে চলুন টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম গুলো জানেনেই,

ধাপঃ১ – আক্যাউন্ট রেজিস্ট্রেশন

আমাদের ভোটার রেজিস্ট্রেশন শেষ হয়ে গেলে আইডি কার্ডটি একটি সরকারি ওয়েবসার্ভারে আপডেট বা আপলোড করা থাকে এবং সেই ওয়েবসাইট থেকেই আমাদের ডাউনলোড করে নিতে হয় আর এর জন্য একটি রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করতে হবে।

এর জন্য আপনাকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইট প্রবেশ ঠিকানাতে ক্লিক করে সাইট ওপেন করুন,

টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম

যে লিঙ্ক দিয়েছি সেখানে ক্লিক করার পর আপনার সামনে এই ধরণের একটি ফরম চলে আসবে এবং এটি আপনাকে সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করে নিতে হবে।

ফরম পূরণ করার প্রথমেই যে ফাকা ঘর দেখতে পাচ্ছেন সেখানে আপনার টোকেন বা ফরম নাম্বার যেটিই বলুন সেই নাম্বার দিয়ে দিতে হবে। এবং দ্বিতীয় ঘরে আপনার জম্ন তারিখ দিয়ে দিতে হবে।

খেয়াল রাখবেন যেটি দিবেন ইংরেজিতে দিবেন নতুবা কাজ করবেনা। জন্ম তারিখ দেয়ার পরে দেখুন একটি সাদা অংশের মধ্যে কিছু লেখা দেয়া আছে যাকে বলা হয় ক্যাপচা আর এই ক্যাপচা নিচের ফাকা ফরমে দিয়ে দিতে হবে।

বড় হাতের অক্ষর ও ছোট হাতের অক্ষর এবং সাথে নাম্বার যাই থাকুক একি রকম লিখে দিতে হবে। হতে পারে আছে বড় হাতের অক্ষরে কিন্তু আপনি দিলেন ছোট হাতের। এই কাজ করলে এরর দেখাবে তাই একটু দেখে পূরণ করার চেষ্টা করুণ।

সমস্ত কিছু সঠিকভাবে দিয়ে দেয়ার পর সাবমিট বাটনে ক্লিক করুণ এবং পরবর্তি ধাপে কি কি বলা হয়েছে সেটি ফলো করতে থাকুন,

ধাপঃ২ – আপনার সঠিক তথ্য প্রদান করুণ

আপনি যখন সাবমিট বাটনে ক্লিক করবেন তখন আপনার সামনে নতুন একটি পেজ ওপেন হবে। সেই পেজে আপনাকে আপনার স্থায়ি ঠিকানা, অস্থায়ি ঠিকানা, আপনার জেলা, আপনার ইউনিয়ন, আপনার থানার নাম, আপনার বিভাগের নাম, আপনার মোবাইল নাম্বার সমস্ত কিছু সঠিকভাবে পূরণ করে দিতে হবে।

টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম

বিশেষ করে এই পেজে যে সমস্ত তথ্য চেয়ে থাকবে সমস্ত তথ্য আপনাকে দিয়ে দিতে হবে আর আপনি যদি একটি তথ্য ভুল দিয়ে দেন তাহলে কিন্তু পরবর্তি ধাপে যেতে পারবেননা এবং আপনার কাঙ্ক্ষিত আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করতে পারবেননা।

বিশেষ কথা আপনার ভোটার হওয়ার সময় যদি ভুল ক্রমে ঠিকনার একটি নাম ভুল হয়ে যায় আপনি কিন্তু কোনভাবেই পরের পেজে যেতে পারবেননা। তাই আপনার ফরমে যে ঠিকানা দিয়েছিলেন সেই ঠিকানা দিয়ে দিতে হবে।

ধাপ:3 – মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন

টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম

দ্বিতীয় বার ফরম পূরণ করার সময় আপনি যে মোবাইল নাম্বারটি দিয়েছিলেন সেটি অবশ্যই চালু এবং আপনার কাছে থাকতে হবে নতুবা আপনি ভেরিফিকেশ করতে পারবেননা।

আপনি চাইলে যেকোনো নাম্বার দিয়ে ভেরিফিকেশন করে নিতে পারবেন। যেমন হতে পারে আপনি ভোটার হওয়ার সময় যে ফোন নাম্বারটি দিয়েছিলেন সেই নাম্বার ব্যবহার করতে পারেন অথবা আপনার বর্তমান যে নাম্বার আছে সেটি দিয়েও ভেরিফিকেশন করতে পারবেন কারণ এটি শুধু ভেরিফিকেশনের একটি প্রসেস।

আপনাকে বার্তা পাঠান এই অপশনে ক্লিক করে দিতে হবে এবং যে নাম্বার দিয়েছিলেন সেই ফোন হাতে নিতে হবে এবং দেখতে হবে মেসেজ অপশনে একটি মেসেজ এসেছে যেখানে ৬ ডিজিটের একটি কোড দেয়া রয়েছে যাকে বলা হয় ওটিপি বা ইংরেজিতে One Time Password মানে আপনি শুধু মাত্র একবারের জন্য এই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন সেটিও আবার কিছু সময়ের জন্য।

টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম

আপনি যখন বার্তা পাঠান বাটনে ক্লিক করেছেন তখন আপনার সামনে নতুন একটি পেজ এসেছে এবং একটি খালি ফরম দেখা যাচ্ছে আর সেই খালি ফরমে ঐ ৬ ডিজিটের কোড বসিয়ে দিতে হবে এবং বহাল লেখা বাটনে ক্লিক করে দিতে হবে।

যখনই আপনি পরবর্তি বাটনে ক্লিক করবেন তখন আপনার সামনে নতুন আরেকটি পেজ ওপেন হবে এবং সেখানে কিছু তথ্য দিয়ে দিতে হবে। ধাপ তিন দেখুন,

ধাপঃ৩ – ফেস ভেরিফিকেশন

এটি হচ্ছে আপনার ভেরিফিকেশনের মেইন পার্ট এই পার্ট বা ধাপটি শেষ করতে পারলেই আপনি আপনার আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আপনি যখন ফোনে আসা এসএমএসের ৬ ডিজিটের নাম্বার দিয়ে বহালে ক্লিক করবেন তখন আপনার সামনে নতুন আর একটি পেজ খুলে যাবে।

সেই পেজ থেকে অ্যাপ ভেরিফিকেশন করতে হবে এবং নিজে থেকেই অ্যাপ খুলে যাবে ও ফেস ভেরিফিকেশন করতে বলবে। তাই আপনাকে আপনার চেহারা দেখিয়ে ভেরিফিকেশন কর নিতে হবে।

তার আগে বলে নেই ফেস ভেরিফিকেশন কেন করতে হবে? এমন হতে পারে আপনার কাছে অন্য কারো টোকেন নাম্বার রয়েছে এবং তার অবর্তমানে নিজেই আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন। যদি ঐ ব্যাক্তি আপনার কাছে না থাকে কোনভাবেই ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করতে পারবেননা এবং ডাউনলোড করতে পারবেননা।

এটি বলতে পারেন মালিকানা ভেরিফিকেশন। আর এই ভেরিফিকেশন করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি মোবাইল অ্যাপ। আপনি অ্যাপটি পেয়ে যাবেন গুগল প্লে স্টোরে আর সেখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে হবে।

অ্যাপটির নাম হচ্ছে NID WALLET আর এই অ্যাপ ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে চলে যেতে হবে গুগল প্লে স্টোরে এবং সার্চ করতে হবে Nid Wallet অথবা আপনি এই লিংকে ক্লিক করে সরাসরি ডাউনলোড করেনিন।

ডাউনলোড এবং ইন্সটল হয়ে গেলে আপনাকে আবার ওয়েবসাইটে ফিরে যেতে হবে। এবং আপনার সামনে যে নতুন পেজ এসেছিল, ছবি দেখুন,

টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম

ঠিক এই ছবির মত এবং আপনাকে এইখান থেকে Tap to Open NID Wallet এই গোল বাটনে ক্লিক করে দিতে হবে এবং আপনার NID Wallet অ্যাপটি ওপেন করে নিতে হবে তারপর পরবর্তি ধাপ অনুসরণ করতে হবে,

অ্যাপটি ওপেন হয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই সামনের ক্যামেরা চলে আসবে এবং ঐ খান থেকে আপনার ফেস বা চেহারার ভেরিফিকেশন করতে হবে।

এর জন্য প্রথমে আপনার মুখের সামনের পাশ সোজা করে রাখতে হবে এবং তারপর ঘারটি একটু বাকা করে ডান পাশ ও পরে আবার ঘার বাকা করে বাম পাশ দেখাতে হবে। তিনটি ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে যাওয়ার পর পরবর্তি ধাপ আপনাকে অনুসরণ করতে হবে।

ধাপঃ৪ – ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সেটাপ

ফেস ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে যাওয়ার পর নিজে নিজেই নতুন পেজ ওপেন হবে এবং আপনাকে নতুন পাসওয়ার্ড সেটাপ করতে বলবে। এটি ব্যবহার করার কারণ হচ্ছে আপনি যেন পরবর্তিতে যেকোনো সময় এই ওয়েবসাইটে লগিন করে আপনার আইডি কার্ড বিষয়ক যেকোনো তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন এবং পরবর্তিতে কোন প্রকার ভেরিফিকেশন ছাড়াই যেন আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারেন।

এর জন্য আপনাকে কোন প্রকার স্পেস ছাড়া ছোট হাতের অক্ষর দিয়ে একটি ইউজার নেম দিতে হবে এবং নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বসিয়ে দিয়ে দিতে হবে ও সেই সাথে আপনার উচিৎ হবে ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড লিখে রাখা যেন ভুলে যেতে না হয়।

আর যখন আপনার পাসওয়ার্ড সেটাপ করা হয়ে যাবে তখন সরাসরি আপনার প্রফাইলে নিয়ে যাওয়া হবে। বিশেষ কথা হচ্ছে আপনার যদি মনে হয় পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেননা তাহলে এড়িয়ে যেতে পারবেন কিন্তু আমি মনে করি আপনার একটি ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিৎ হবে।

যেন পরবর্তিতে যেকোনো প্রকার কাজের জন্য এই সাইট লগিন করতে পারেন।

আর দেখুন,

ধাপঃ৫ – আইডি কার্ড ডাউনলোড

সমস্ত কিছু যদি সঠিকভাবে করা হয়ে থাকে তাহলে আপনার সামনে কার্ড ডাউনলোড অপশন চলে আসবে। যখনই সমস্ত প্রসেস শেষ হয়ে যাবে তখন আপনার সামনে আপনার প্রফাইল চলে আসবে এবং আপনাকে শুধু একটু স্ক্রল করে নিচে চলে যেতে হবে।

যখন স্ক্রল করে একদম নিচে চলে যাবেন তখন আপনার সামনে ডাউনলোড অপশন চলে আসবে এবং আপনি ডাউনলোডে ক্লিক করার সাথে সাথে আইডি কার্ডের পিডিএফ ফাইলটি আপনার ফোনে সেভ হয়ে যাবে।

মূলত এটিই ছিল টোকেন দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম এবং ডাউনলোড করার পদ্ধতি। এখন আপনি আপনার আইডি কার্ডটি কোন একটি ছবি তোলার দোকানে নিয়ে গিয়ে লেমেনেটিং করে ব্যবহার করতে পারেন।

ভোটার টোকেন যদি হারিয়ে গেলে করণীয় কি?

নতুন ভোটার নিবন্ধন করার পর আমাদের যে ভোটার স্লিপ বা টোকেন দেয় সেই স্লিপ ব্যবহার করে আমাদের ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে হয়। আপনি উক্ত স্লিপটি দিয়ে খুব সহজেই ভোটার আইডি সংগ্রহ করে নিতে পারবেন। তাছাড়া আপনি স্লিপটি ব্যবহার করে অনলাইন থেকে ভোটার আইডি ডাউনলোড করতে পারবেন।

আর যদি কোন এক কারণে আপনার ভোটার স্লিপটি হারিয়ে যায় তাহলে করণীয় কি?

এমন হয়ে থাকলে আপনাকে উপজেলা নির্বাচন কমিশন বা নিক্টস্থ নিকটস্থ নিরবাচন কমিশন থেকে আপনি আইডি কার্ড সংগ্রহ করে নিতে পারবেন। তাতেও যদি না হয় তাহলে থানায় একটি সাধারন ডাইরি করে রাখলে নির্বাচন কমিশন থেকে সহজেই আইডি কার্ড সংগ্রহ করা যায়।

শেষ কথা

আপনি হয়ত স্টেপ গুলো ফলো করে সফল ভাবেই নিজের আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে নিয়েছেন। যদি ডাউনলোড করতে কোন প্রকার সমস্যার সম্মুখিন হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার সমস্যার কথা কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন আমরা সমাধান দেয়ার চেষ্টা করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *