বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা – সফল এবার হতেই হবে

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা -বর্তমান সময়ে প্রায় সবাই চায় নিজেই একটি ব্যবসা শুরু করে উদ্যোক্তা হতে। কিন্তু চাইলে কি সব কিছু পাওয়া যায়? হয়তো যায়না কারণ কিছু পেতে হলে অবশ্যই নিজে প্রস্তুত করতে হয় এবং অনেক কিছু জানতে হয়।

তাই যারা ব্যবসা করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসাবে তৈরি করতে চায় তাদের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোন গুলো রয়েছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

যেকোন ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রথমে কিছু আইডিয়া নিয়ে নিতে হয় নতুবা সেই ব্যবসা নিয়ে বেশীদিন টিকে থাকা যায়না। অন্য কারো ব্যবসা করে সফল হওয়া দেখে আপনি নিজেও যদি একই ব্যবসা শুরু করে দিয়ে সফল হতে চান তাহলে সেটি হবে অনেক বড় একটি বোকামি।

নিজে কি ব্যবসা করতে পারবেন? কোন ব্যবসা করতে কি পরিমাণ ইনভেস্ট করতে হয় এবং সেই ব্যবসার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কেমন হবে সমস্ত কিছু জেনে নিয়ে তারপর সেটি নিয়ে কাজ করতে হয়।

তাই আজ এমন কিছু ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে কথা বলা হবে এবং সেই সমস্ত ব্যবসা নিয়ে বিস্তারিতভাবে সব কিছু আলোচনা করা হবে।তাই আপনি আপনার জন্য কোন আইডিয়াটি বেস্ট হবে সেটি বেঁছে নিয়ে একটি প্ল্যান তৈরি করে শুরু করে দিন।

আর্টিকেল সূচনা

চাকরি নয় ব্যবসা কেন?

আমাদের দেশ সহ বিভিন্ন দেশে দুই ধরণের মানুষকে খুঁজে পাওয়া যায়। এদের মধ্যে রয়েছে ব্যবসায়ী এবং চাকরি জীবী উভয়ই। এখন কথা হচ্ছে আপনি চাকরি নাকি ব্যবসা করবেন। অবশ্যই চাকরিও আয় করার জন্য ভালো একটি মাধ্যম।

ব্যবসা এবং চাকরি বিয়টি দুই ক্যাটাগরিতে বিভক্ত থাকে সব সময় কারণ কিছু মানুষের মনের ইচ্ছা চাকরি করবে আর কিছু মানুষ রয়েছে যারা ছাত্র জীবন থেকেই ব্যবসা করার চিন্তাভাবনা করে।

কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় চাকরিজীবীদের মধ্যেও ব্যবসায়ী তৈরি হয়ে যায় এদিকে যারা স্বপ্ন দেখে চাকরি করবেনা ব্যবসা করবে তারা কিন্তু যেকোনো মূল্যে ব্যবসার দিকে ধাবিত হয়।

তারপরেও আপনাকে মুসলিম হিসাবে একটি বিষয় সর্বদা মনে রাখতে হবে আল্লাহ্‌ আমাদের ভাগ্য আগে থেকেই ঠিক করে রেখে দিয়েছেন তাই আপনার ভাগ্যে যদি ব্যবসা থেকে থাকে তাহলে কেও আপনাকে দিয়ে চাকরি করাতে পারবেনা।

আর যদি চাকরি বা অন্য কোন কাজ লেখা থাকে তাহলে আপনি কোন সময় ব্যবসা করতে পারবেন না। তারপরেও একটি কথা রয়েছে, আল্লাহ্‌ বলেন তোমরা আমার কাছে যা চাইবে তাই দিয়ে দিবো।

তাই আমাদের উচিৎ আল্লাহ্‌র কাছে চাওয়া। এখন আসি মূল টপিকে, আপনি যদি ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন এবং আপনার প্রতিষ্ঠানে অন্যদের চাকরি দিতে পারবেন।

তাছাড়াও চাকরির ক্ষেত্রে অফিস এর টাইম ম্যানেজমেন্ট করে চলতে হয়। আপনাকে সঠিক সময়ে অফিসে যেতে হবে এবং সেই সাথে সঠিক সময় অফিস থেকে বের হতে হবে তাছাড়াও মাস শেষে বেতন হবে।

এই সব মিলিয়েই সমস্ত চাকরিজীবী তাদের জীবন অতিবাহিত করে থাকে। কিন্তু একজন ব্যবসায়ী তার নিজের সময় অনুযায়ী অফিস টাইম নির্ধারণ করতে পারে।যখন যে পরিমাণ টাকা তার দরকার সেটি নিতে পারে সেই সাথে অন্যদের চাকরিও দিতে পারে।

তাই যদি সমস্ত কিছু মিলিয়ে দেখা যায় তাহলে ব্যবসা হচ্ছে সব চাইতে বড় এক পন্থা নিজেকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার। তাছাড়াও আল্লাহ্‌ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল করেছেন তাহলে ভেবে দেখুন ব্যবসা ক্ষেত্রে কি পরিমাণ বরকত রয়েছে। তাই আপনার ব্যবসা করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া । ব্যবসার প্রকারভেদ

প্রশ্ন আসতেই পারে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া আবার প্রকারভেদ হয় নাকি? হ্যা অবশ্যই ব্যবসার প্রকারভেদ রয়েছে। অন্যান্য কাজের যেমন প্রকারভেদ রয়েছে ঠিক তেমনি ব্যবসায়ের প্রকারভেদ রয়েছে।

ব্যবসাকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমন,

  • খুদ্র ব্যবসা / অল্প পুজিতে ব্যবসা
  • নগদ টাকার ব্যবসা
  • বিনা পূঁজির ব্যবসা

সাধারণ ভাবে ব্যবসাকে এই তিন ভাবেই ভাগ করা হয়ে থাকে। প্রতিটি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জেনে নিন তারপর ব্যবসায়ের আইডিয়া গুলো জানতে থাকুন। আপনি যদি ব্যবসায়ের ধরণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন তাহলে ব্যবসায়ের খেত্র গুলো বুঝতে অনেক সুবিধা হবে।

খুদ্র ব্যবসা

লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া এর মধ্যে অল্প পূঁজির ব্যবসাও রয়েছে। অল্প পুঁজিতে যে সমস্ত ব্যবসা করা হয় সেগুলোকে ক্ষুদ্র ব্যবসা বলা হয়ে থাকে। এই ধরণের ব্যবসার যদি উদাহরণ দেয়া হয় তাহলে মোবাইল সার্ভিসিং এর ব্যবসা ও মোবাইল এক্সেসরিস এর ব্যবসাকে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

এই ব্যবসা করতে চাইলে আপনাকে অনেক বেশী টাকা ইনভেস্ট করার দরকার হবেনা। শুধু সঠিক পরিকল্পনার সাথে কাজ করার দক্ষতা থাকলেই হবে।

তাছাড়াও আপনি অনলাইন থেকে বিভিন্ন ধরণের ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া গুগল থেকে সার্চ করে বেড় করে নিতে পারবেন। আশা করেছি বুঝে গিয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসা কি এবং এটি করতে আপনার কেমন খরচ হতে পারে।

নগদ টাকার ব্যবসা

নগদ টাকার ব্যবসা বলতে, যেসমস্ত ব্যবসা বেশী টাকা ইনভেস্ট করে শুরু করতে হয় সেগুলোকে বুঝায়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, আপনি একটি ব্যবসা শুরু করতে চাচ্ছেন ১০ লাখ টাকা খরচ করার মাধ্যমে।

এর জন্য অবশ্যই আপনাকে একটি ব্যবসার প্ল্যান বেড় করতে হবে সেই সাথে নগদ টাকার প্রয়োজন হবে। এক কথায় যদি বলা হয় যে সমস্ত ব্যবসা মোটা অংকের টাকা ইনভেস্ট করে শুরু করা হয় সেই সমস্ত ব্যবসাকে নগদ টাকার ব্যবসা বলা হয়। বিশেষ করে নগদ টাকার ব্যবসা বলুন বা অন্য ধরণের ব্যবসা বলুন আপনি যদি ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে পারেন তাহলে সফলতা দেখা দিবেই ইনশাল্লাহ।

বিনা পূঁজির ব্যবসা

আপনি যে ব্যবসা বলুননা কেন প্রতিটি ব্যবসা করতে আপনাকে ইনভেস্ট করতেই হবে। একদম শুন্য হাতে ব্যবসা করা অসম্ভব কিন্তু বর্তমান সময়ে এমন কিছু ব্যবসা রয়েছে যেগুলো করতে কোন ধরণের টাকা খরচ হয়না শুধু শ্রম দিলেই হয়।

এটি নিয়ে পরবর্তি একদিন আলোচনা করা যাবে তাই সাথেই থাকুন। বিনা পূঁজির ব্যবসা করতে চাইলেও আপনাকে কিছু টাকা ইনভেস্ট করতে হবে। এমন নয় আপনাকে লাখ লাখ টাকা ইনভেস্ট করতে হবে।

যেমন ধরুন আপনার বাড়িতে কিছু কবুতর রয়েছে এবং সেগুলো আপনি আগে থেকেই পালন করে থাকেন। তাছাড়া হাঁস, মুরগির ডিম বিক্রি করে আপনি সাবল্মবি হতে চাচ্ছেন। এক্ষেত্রে কিন্তু আপনাকে তেমন বেশী টাকা ইনভেস্ট করতে হবেনা। আপনি বাড়িতে সাধারণ খাবার দিয়েই ধীরে ধীরে ব্যবসা বড় করতে পারবেন। এর জন্য যে সমস্ত হাঁস এবং মুরগি বেশী ডিম দিয়ে থাকে সেগুলোকে লালন পালন করার দরকার হতে পারে।

লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া

আপনি যদি বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা করে নিজেই একজন বস হতে চান তাহলে আজকের লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া গুলোর মধ্যে যেটি আপনার কাছে সব চাইতে বেস্ট মনে হবে সেটি অবশ্যই গ্রহন করার চেষ্টা ।

মনে রাখতে হবে যেটি আপনি নিজে শুরু করতে পারবেন সেটি কিন্তু এখান থেকে বেঁচে নিতে হবে। আজ কিছু স্বল্প পূঁজির ব্যবসা নিয়েও আলোচনা করা হবে। কারণ হচ্ছে প্রতিটি উদ্যোক্তা চায় তার যে ব্যবসাটি রয়েছে সেটি প্রথমে স্বল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করতে।

আর হ্যা সব শেষে কিছু গুরুত্বপূর্ন কথা বলা হবে যেগুলো আপনার ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য অনেক বেশী দরকারি। তাহলে জেনেনিন বর্তমান সময় লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া গুলো কি কি?

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা বিস্তারিত

১. অর্গানিক ফার্মিং এর ব্যবসা

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া গুলোর মধ্যে প্রথমেই রেখেছি কৃষি। আমদের দেশ হচ্ছে কৃষি প্রধান দেশ তাই এর চাইতে লাভজনক এবং ভালো কোন ব্যবসা হতে পারেনা যেটি আমার নিজের ধারণা। তাই প্রথমেই কৃষি কাজের জন্য যে সমস্ত ব্যবসা রয়েছে তার মধ্যে কয়েকটি ব্যবসা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

আমাদের দেশের প্রতিটি অঞ্চলে প্রতিনিয়ত লাখ লাখ মানুষ সবজি সহ বিভিন্ন ধরণের কৃষি পন্য ক্রয় করছে। কিন্তু এখানে একটি গুরুত্ব পূর্ণ কথা রয়েছে সেটি হচ্ছে বেশীরভাগ মানুষ নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে অনেক বেশী সচেতন হতে চান।

তাই সব সময় বাজারে গেলেই ক্যামিক্যাল বিহীন যে সমস্ত খারাব রয়েছে সেগুলো খুঁজে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের বাজারে খুব কম ক্যামিক্যাল বিহীন সবজী এবং অন্যান্য সব খাবার পাওয়া যায়।

বাংলাদেশে জৈব ফার্মে খাবার উৎপাদিত হয়না বললেই চলে। তাই হতে পারে এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। আপনি যদি চান অরগানিক ভাবে অর্থাৎ ক্যামিক্যাল যুক্ত সার, বিষ ব্যবহার না করেই ফসল উৎপাদন করবেন এবং বাজার জাত করবেন তাহলে আপনি অনেক বেশী লাভবান হতে পারবেন।

আপনি সব সময় অন্যান্য সব খাবারের চাইতে অরগানিক ভাবে তৈরি করা খাবার বেশী দামে বিক্রি করতে পারবেন। আর এর জন্য আপনার বেশী যায়গাও দরকার হবেনা।

আপনি যদি খেয়াল করেন তাহলে দেখতে পাবেন আমাদের দেশের অনেক মানুষ রয়েছে যারা নিজের বাড়ির সামনে, ছাদে বাগান করে সবজি উৎপাদন করছে। অনেকেতো বাজারে বিক্রিও করছে।

চাইলে এটি আপনি বাণিজ্যিক ভাবে শুরু করে দিতে পারবেন। এর জন্য তেমন বেশী টাকা আপনাকে খরচ করতে হবেনা। এই ব্যবসা করার জন্য ফাকা এবং নিরিবিলি যায়গায় কিছু জমিতে শুরু করে দিতে পারবেন।

আপনি জদি চান নিজের বাড়ির আঙ্গিনায় শুরু করবেন সেটিও পারবেন। এই ব্যবসা করতে হলে অনেক অভিজ্ঞতার দরকার হয় কারণ বিনা অভিজ্ঞতাতে অর্গানিক ভাবে ফসল উৎপাদন করা সম্ভব নয়।

তাই আপনি চাইলে বাংলাদেশে বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার থেকে কিছু দিন ট্রেনিং নিতে পারেন। তাছাড়া ইউটিউবে বিভিন্ন ধরণের ভিডিও পেয়ে যাবেন চাইলে সেখানেও শিখে নিতে পারবেন।

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ট্রেনিং সেন্টার,

২. গরুর ফার্মিং এর ব্যবসা

বর্তমানে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া এর মধ্যে এটি অনেক বড় একটি লাভজনক ব্যবসা। আমাদের দেশে গরুর মাংস এবং দুধের প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে। শুধু তাই নয় এটি এমন একটি ব্যবসা শুরু করে দিতে পারলে দেশ ছারাও দেশের বাইরে মাংস এবং দুধ বিক্রি করার মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে মুনাফা ইনকাম করা সম্ভব।

আমাদের দেশের জন্য যে পরিমাণ গরুর ফার্ম রয়েছে সেগুলোর পক্ষে মাংসের চাহিদা পূরন করা খুবি কষ্টকর যার ফলে বাহিরের দেশ থেকে গরু আমদানি করে নিয়ে আসতে হয়।

যেহেতু সরকার পাশের দেশ থেকে মাংসের জন্য গরু রপ্তানি করছে যদিও সেটি বন্ধ করা সম্ভব নয় তার পরেও চেষ্টা করলে অনেক অংশে কমিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব। আর এটি যদি কমিয়ে নিয়ে আসতে হয় তাহলে নতুন করে ফার্ম গড়ে তোলা ছাড়া সম্ভব নয়।

একজন যদি দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে গরুর ফার্ম করে তাহলে প্রতি বছর ২ কোটি টাকা পর্যন্ত মুনাফা ইনকাম করা সম্ভব। এর জন্য আপনাকে অবশ্যই অনেক কিছু জানতে হবে। এর জন্য অনেক পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

বাংলাদেশের মধ্যে যারাই গরুর ফার্ম করছে তাদের মধ্যে প্রায় ৭০% তরুণ উদ্যোক্তা। তাই আপনি নিজেও এটি শুরু করে দিতে পারেন। মাংসের পাশাপাশি আপনি দুধ উৎপাদনও রাখতে পারেন।

গরুর ফার্ম করতে চাইলে অবশ্যই অনেক টাকা ইনভেস্ট করতে হয় এবং সঠিক পরিকল্পনা করতে হয়। একটি নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে বাংলাদেশ সরকার এবং অনেক ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে।

কিভাবে গরুর ফার্ম গড়ে তুলতে সঠিক পরিকল্পনা করবেন সেটি জেনেনিন এবং একটি ফাইল তৈরি করে ফেলুন। যদি আপনার ইনভেস্ট করার মাধ্যমে বছর শেষে অনেক পরিমাণে টাকা ইনকাম করার ইচ্ছা থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন।

৩. ছাগলের ফার্মিং এর ব্যবসা

গরুর ব্যবসার মত ছাগের ফার্মিং ব্যবসা অনেক বেশী লাভজনক। বাংলদেশের অনেক তরুন উদ্যোক্তা রয়েছেন যারা ছাগলের ফার্ম করার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে।

বর্তমান বাজারে গরুর পাশাপাশি ছাগলের মাংসের চাহিদা অনেক বেশী যেটি প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। তাছাড়া ছাগল পালনের কাজ অনেক দিন ধরেই আমাদের দেশে ছাড়াও অন্যান্য দেশেও হয়ে আসছে।

আমাদের প্রিয় নবি হযরত মোহাম্মদ ( সঃ ) নিজেও ছাগল পালন করতেন। ছাগলের দুধ, মাংস ও চামড়ার প্রচুর চাহিদা রয়েছে। আমাদের দেশের গ্রাম অঞ্চলের গৃহিণী নিজের বাড়িতেই ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী হয় উঠছে।

তাই আপনি নিজেও এই ব্যবসাটি করতে পারেন। এটি সাধারণ ভাবে করলে হবেনা অবশ্যই বাণিজ্যিক ভাবে পালন করতে হবে। আপনি যদি ছোট একটি ফার্ম শুরু করে দিতে পারেন তাহলে মাসে ১ থেকে ২ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ছাগল এর ফার্ম করতে আপনাকে তেমন বেশী টাকা ইনভেস্ট করতে হবেনা। ছাগল বলুন অথবা অন্য কোন ফার্মিং বলুন সব ক্ষেত্রেই আপনাকে অবশ্যই ট্রেনিং নিতে হবে তা নাহলে আপনি সফল হতে পারবেননা।

৪. ই-কমার্স ব্যবসা

বর্তমান সময়ের পরিচিত এবং লাভজনক ব্যবসা হচ্ছে ই-কমার্স ব্যবসা। করনা মহামারি শুরু থেকে শুরুর পর থেকেই ই-কমার্সের প্রতি মানুষের আস্থা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে যার ফলের প্রতিটি মানুষের অনলাইন থেকে কোন কিছু কেনার প্রতি একটি অভ্যাস তৈরি হয়েছে।

তাই এটি কিন্তু আপনার জন্য অনেক বড় একটি অপরচুনিটি তৈরি হবে। ই-কমার্স ব্যবসা করতে চাইলতে আপনাকে তেমন বেশী ইনভেস্ট করার দরকার হয়না। কিছু টাকা ইনভেস্ট করেই এই ব্যবসা শুরু কর যায়।

আমরা সারাদিন যে ফেসবুক ব্যবহার করি সেটি দিয়েই ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করা যায়। এর জন্য দরকার হবে সুন্দর একটি পেজ এবং কিছু প্রডাক্ট। আর এর আগে অবশ্যই আপনাকে ই-কমার্সের ব্যবসার জন্য আইডিয়া নিয়ে নিতে হবে।

যখনই আপনি পন্য সম্পর্কে সমস্ত কিছু বিস্তারিত ভাবে জানতে পারবেন তার পর অবশ্যই ই-কমার্স ব্যবসার প্ল্যান সাজিয়ে নিতে হবে। কোন ধরণের প্ল্যান ছাড়াই যদি ব্যবসা সুরু করে দেয়া যায় তাহলে কিন্তু সেখানে সফল হওয়ার সম্ভবনা থাকেনা।

ফেসবুক থেকে নিজের ব্যবসার প্রসার হলে অবশ্যই পরবর্তীতে একটি ই-কমার্স ওয়েব সাইট তৈরি করে নিতে হবে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ন কথা হচ্ছে আপনি ফেসবুকে যখন একটি পেজ তৈরি করবেন তখন অবশ্যই এমন একটি নাম দিতে হবে যেটি পরবর্তিতে ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।

ফেসবুকে ব্যবসা করতে হলে আপনার তেমন কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে না কিন্তু যখনি নিজের ব্যবসার জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরি করবেন তখন বাংলাদেশের নিয়ম গুলো জানতে হবে।

আমাদের দেশের ই-কমার্স ব্যবসার জন্য ব্যবসা করার নিয়ম রেখেছে যেগুলো ফলো করতে না পারলে ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হতে হবে। সমস্ত কিছু জানার পর অবশ্যই আপনি নিজেই ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করে দিতে পারবেন।

৫. কাপড়ের ব্যবসা

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া গুলোর মধ্যে রয়েছে কাপড়ের ব্যবসা। শিশু থেকে শুরু করে আপনি যেকোনো বসয়ের মানুষের কাপড় বিক্রি করে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

যদিয় এই ব্যবসাটি অনেক পূরাতন এবং অনেকেই করছেন তাই অনেক সংকোচ হতেই পারে। কিন্তু এটি এমন এক ব্যবসা যা শুরু করে দিলে এবং সঠিক পন্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিলে অবশ্যই লাভবান হওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশের যে সমস্ত যায়গায় পাইকারিতে কম দামের বিভিন্ন ধরণের কাপড় বিক্রি করে সেখান থেকে আপনি কম দামে কাপড় কিনে বেশী দামে বিক্রি করে অবশ্যই লাভ করতে পারবেন।

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ ( স ) এই কাপড়ের ব্যবসা করতেন শুধু তাই নয় ইমাম আবু হানিফাও কাপড়ের ব্যবসা করতেন তাই অবশ্যই এই ব্যবসার মধ্যে বরকত রয়েছে। আপনি যদি সৎ ভাবে এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কাপেড়ের ব্যবসা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই লাভবান হতে পারবেন।

আপনি বাংলাদেশের যে সমস্ত যায়গায় পাইকারি দামে কাপড় পাবেন,

আপনি চাইলে ফেসবুক ব্যবহার করেও প্রচুর পরিমাণে কাপড় বিক্রি করতে পারবেন এর ফলে আপনার পরিশ্রম অনেক অংশে কমে যাবে। তাই কোন কাপড় নিয়ে ব্যবসা করবেন তার একটি তালিকা তৈরি করুন এবং কিছু মূলধন ইনভেস্ট করে শুরু করুন।

৬. ইলেকট্রনিক্স পন্যের ব্যবসা

বর্তমান সময়ের আরও একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া হচ্ছে ইলেকট্রনিক্স পন্যের ব্যবসা। মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব কাজেই ব্যবহার হচ্ছে ইলেকট্রনিক্স পন্য। বিশেষ করে ফ্যান, টেলিভিশন, টিভি, বৈদ্যুতিক বাতি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদির পন্য মানুষের নিত্য দিনের দরকার।

তাছাড়াও বর্তমান সময়ে রান্নার কাজের যন্ত্র পাতি থেকে শুরু করে চা তৈরির জন্য মানুষ ইলেক্ট্রিক পণ্য ব্যবহার করছে। তাই হতে পারে এটি আপনার জন্য একটি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া।

এই ব্যবসা করতে হলে প্রথমেই আপনাকে পন্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিয়ে নিতে হবে। কারণ পন্য সম্পর্কে যদি আপনার ধারণা না থাকে তাহলে এই ব্যবসায় আপনি টিকে থাকতে পারবেননা।

পণ্য এবং পন্যের দাম ও কোন পন্য সব চাইতে বেশী চাহিদা সেগুলো সম্পর্কে জানতে হলে কিছুদিন ঘরাঘুরি করতে হবে ভিভিন্ন দোকানে। সমস্ত কিছু জানার পর যে কাজটি থাকে সেটি হচ্ছে পন্য গুলো সুলভ মুল্যে কোথায় পাওয়া যায় তার সন্ধান করা।

সমস্ত কিছু যখন জেনে যাবেন তখন নিজের এলাকার বাজার বা শহরে পজিসন অনুযায়ী একটি দোকান করতে হবে বা ভাড়া নিতে হবে। তারপর আপনি কোন ধরণের ইলেক্টিক ব্যবসা করবেন সেটি জেনে শুরু করুন।

ইলেক্ট্রিক ব্যবসা মূলত দুই ধরণের হয় থাকে। এক ডিলারশিপ ব্যবসা এবং খুচরা ব্যবসা। আপনি যদি নিজে ডিলারশিপ নিতে চান তাহলে কোম্পানির সাথে কথা বলে ডিলারশিপ নিতে পারেন।

ডিলারশিপ ব্যবসা করতে হলে বিনিয়োগ এর পরিমাণ বেশী করতে হয়। ডিলারশিপ ব্যবসা করতে হলে নিজের একটি লাইসেন্স করতে হবে এবং ইনভেস্ট এর পাশাপাশি জনবল নিয়োগ দিতে হবে।

খুচরা ব্যবসা করতে চাইলে আপনাকে তেমন বেশী টাকা বিনিয়োগ করতে হবেনা। সাধারণ কিছু টাকা বিনিয়োগ করেই নিজে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন বলে আশা করছি।

আপনি ঢাকা থেকে অনেক মূল্যে পন্য ক্রয় করে সেগুলো বেশী দামে অনায়াসে বিক্রি করতে পারবেন। বিশেষ করে ঢাকার গুলিস্থানে কিছু পাইকারি দোকান আছে যেখানে অনেক সুলভ মূল্যে পন্য ক্রয় করতে পারবেন।

কিছু ইলেকট্রিক পন্যের তালিকাঃ

  • ইলেকট্রিক পাখা
  • টিভি
  • ফ্রিজ
  • টেলিভিশন
  • স্টেবিলাইজার
  • ব্লেন্ডার মেশিন
  • মোবাইল
  • এসি
  • স্পিকার
  • আয়রন
  • পানির ফিল্টার
  • ইলেকট্রিক চুলা
  • পানি হিটার
  • মাল্টি প্লাগ
  • মাইক্রোওয়েভ
  • ওয়াশিং মেশিন
  • ক্যামেরা
  • রুম হিটার বা গিজার
  • এয়ার কন্ডিশন
  • এয়ার কুলার
  • কম্পিউটার
  • বিভিন্ন ধরণের গ্যাজেট
  • হেডফোন ইত্যাদি

আপনি এই সমস্ত পন্য নিয়ে যেকোনো সময় ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। আপনি চাইলে বিভিন্ন ক্যাটাগরি অথবা একটি মাত্র ক্যাটাগরি নিয়ে শুরু করে দিতে পারেন।

৭. ডিস্পেন্সারি ব্যবসা

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গুলোর মধ্যে এই ব্যবসাটি প্রথম ক্যাটাগরির ব্যবসা। কারণ এই ব্যবসাতে কোন ধরণের ক্ষতি নেই শুধু লাভ আর লাভ।

বর্তমান সময়ে মানুষের রোগের পরিমাণ এত বেশী বেড়ে গিয়েছে যে প্রতিনিয়ত ওষুধ দরকার হয়েই থাকে। তাই আপনি চাইলে এই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন।

কিন্তু একটি বিষয় আপনাকে জানতেই হবে সেটি হচ্ছে ডিস্পেকন্সারি এবং ফার্মেসি ব্যবহার মধ্যে একটি পার্থক্য রয়েছে সেটি। ফার্মেসি ব্যবসা বলতে শুধু ঔষধ এর ব্যবসা করাকে বোঝায়, যেখানে শুধু ঔষধ থাকে।

কিন্তু এদিকে ডিস্পেন্সারি ব্যবসা বলতে, যেখানে ঔষধ এবং চিকিৎসা দুইটারি যোগান থাকে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ দিয়ে রাখতে পারেন অথবা সাপ্তাহিক বসার ব্যবস্থা করতে পারেন।

এই কারণেই এই ব্যবসাকে প্রথম ক্যাটাগরির ব্যবসার সাথে তুলনা করা হয়ে থাকে।

৮. ফার্মেসি ব্যবসা

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গুলোর মধ্যে ফার্মেসি একটি। এদেশে এমন অনেকে রয়েছে যারা শুধু মাত্র ফার্মেসি ব্যবসা করার মাধ্যমে লাখপতি হয়ে গিয়েছেন। চাইলে আপনিও হতে পারবেন।

এটি একটি লাভজনক ব্যবসা এই কারনে যে, কিছু কিছু ঔষধে ৫০% পর্যন্ত লাভ হয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে মানুষের প্রতিদিন কি পরিমাণ ঔষধ প্রয়োজন সেটি আপনি নিজের পরিবার এবং আশে পাশে তাকালে বুঝতে পারবেন।

তাই আপনি চাইলে অনায়াসে এই ব্যবসা করতে পারবেন। বাংলাদেশের জন্য যে পরিমাণ ঔষধ দরকার তার প্রায় ৯৫% দেশেই উৎপাদন হয়ে থাকে। তাই আপনি একদম স্বল্প মূল্যে ঔষধ ক্রয় করে নেক লাভে বিক্রি করতে পারবেন।

যদি বলা হয় কি পরিমাণ লাভ হবে? তাহলে এর উত্তর হবে আপনি ঔষধ প্রতি ১২ থেকে ১৫% লাভ করতে পারবেন। তাহলে ভেবে দেখুন এই ব্যবসাতে কি পরিমাণ লাভ রয়েছে।

আপনি যদি প্রথম অবস্থায় ২ থেকে ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন তাহলে আশা করা যায় প্রতি মাসে আপনি অনায়াসে ৫০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এই ইনকাম কিন্তু ধীরে ধীরে বাড়তেই থাকবে।

এই ব্যবসা শুরু করার পূর্বে আপনাকে শুধুমাত্র একটি কোর্স করতে হবে যার নাম ফার্মেসি ফাউন্ডেশন কোর্স। আপনি সরকারী ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করেই কোর্সটি করে নিতে পারবেন।

কোর্স শেষ হলে আপনি একটি দোকান ভাড়া নিবেন এবং সব ধরণের কাগজ পত্র রেডি করে নিজেই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারবেন। চাকরি প্রত্যাশা না করে নিজের বস নিজেই হয়ে উঠুন এই ব্যবসা করার মাধ্যমে।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

৯. মোবাইলের ব্যবসা

টেলিকমের মধ্যে এটি একটি লাভজনক ব্যবসা কারণ একটি মোবাইল ফোন সেল করতে পারলে ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা লাভ করা সম্ভব কিন্তু সেটি খুচরা বিক্রেতা হিসাবে।

আমাদের দেশে যে পরিমাণ মোবাইলের চাহিদা রয়েছে যা অন্যান্য দেশের চাইতে অনেক বেশী। এই ব্যবসাটি আরও লাভজনক হয়েছে যার কারণ হচ্ছে আমাদের দেশেই তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ধরণের মোবাইল ফোন।

আপনি শুধু মাত্র একটি লাইসেন্স নিয়ে দোকান ভারা নিয়ে কিছু টাকা ইনভেস্ট করেই এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

আমি ব্যক্তিগতভাবে একটি বিষয় খেয়াল করেছি যে, যারা গ্রাম অঞ্চলে বসবাস করি তাদের একটি ভালো ফোন কিনতে হলে প্রতান্ত অঞ্চলে যেতে হয় যার ফলে টাকা এবং সময় দুইটি ব্যয় হয়।

এই ফোন যদি গ্রামের কোন একটি দোকানে পাওয়া যায় তাহলে কি কেও কষ্ট করে অনেক দূরে যাবে? আমার মনে হয় যাবেনা, এর কারণ হচ্ছে এখন প্রতিটি মোবাইলের দাম অনলাইনে দেয়া থাকে তাই আপনি একই দামে ফোন সেল করলে আপনার কাছে ব্যতীত অন্য কোথাও কেও যাবেনা।

মোবাইলের ব্যবসার কয়েটি প্লাস পয়েন্ট রয়েছে যেমন,

আপনি চাইলে মোবাইল বিক্রির পাশাপাশি সার্ভিসিং এর ব্যবসাটিও রাখতে পারবেন এবং সেই সাথে মোবাইলের বিভিন্ন ধরণের এক্সেসরিজ যেমনঃ চার্জার, ব্যাক কভার, হেড ফোন ইত্যাদি বিক্রি করতে পারবেন।

তাই আপনি চাইলে অনায়াসে এই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। এই ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে প্রথমে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা ইনভেস্ট করতে হবে।

কারণ দোকান এর সিকিউরিটি সহ ডেকোরেশন এবং প্রডাক্ট কালেকশন করতে আপনার অনেক টাকা খরচ হবে। অনেক সময় এর চাইতে কম এবং বেশী খরচ হতে পারে।

কিন্তু আপনি একবার যদি শুরু করেন আশা করা যায় এই সময়ে আপনি সফল একজন ব্যবসায়ী হয়ে উঠাবেন। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গুলোর মধ্যে এটি গ্রহন করতে পারেন।

১০. কম্পিউটারের ব্যবসা

বর্তমান সময়ে কম্পিউটারের চাহিদা গ্রাম এবং শহরে সমান পর্যায়ে রয়েছে তাই হতে পারে আপনার জন্য এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। আপনি যদি খেয়াল করেন তাহলে দেখতে পাবেন মোবাইল এর তুলনায় কম্পিউটারের দোকান নেই বললেই চলে।

অনেকেই মনে করে থাকে যে, কম্পিউটারের ব্যবসা করতে অনেক টাকা ইনভেস্ট করতে হয় তাই সাহস করে কেও আর এই ব্যবসা করতে পারেনা। কিন্তু একটি বাস্তবতা হচ্ছে যেকোনো ব্যবসা প্রথমের দিকে তেমন বেশী টাকা ইনভেস্ট করতে হয়না।

আপনি চাইলে প্রথমে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা দিয়েই ব্যবসা শুরু করতে দিতে পারবেন অথবা ২ থেকে ৩ লাখ হলেও শুরু করা যায়। মনে রাখবেন যেকোনো ব্যবসা শুরুর দিকে কম পুঁজিতে সুনাম অর্জন করতে পারলে ধীরে ধীরে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।

আপনি যদি কম্পিউটার হার্ডয়ার এর ব্যবসা করতে চান তাহলে প্রথমে আপনার এটি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। যেমন কম্পিউটার যন্ত্রের মধ্যে রয়েছে মাদার বোর্ড, র‍্যাম, হার্ড ড্রাইভ, প্রসেসর, পাওয়ার সাপ্লাই, মাউস, কিবোর্ড ইত্যাদি।

সব কিছু বিবেচনা করে লাভজনক ব্যবসা হিসাবে আপনি এটি করতে পারেন কারণ কম্পিউটার এর ব্যবসার পাশাপাশি আপনি বিভিন্ন ধরণের এক্সেসরিজ বিক্রি করতে পারবেন। যেমন,

সাউন্ড বক্স, রাউটার, ওয়াইফাই তার, মনিটর ইত্যাদি। যখন শুরু করবেন তখন জানতে পারবেন কম্পিউটার রিলেটেড কত প্রকার পন্য রয়েছে। তাই আপনি চাইলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

১১. মোবাইল এক্সেসরিজ ব্যবসা

এই সময়ের এবং ভবিষ্যৎ সময়ের জন্য এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। আমাদের দেশে মোবাইল ব্যবহার প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে সেই সাথে দরকার হচ্ছে মোবাইল এর সাথে সম্পর্কিত জিনিস পত্র যে গুলো মোবাইল এক্সেসরিজ বলা হয়ে থাকে।

হতে পারে এটি আপনার জন্য একটি লাভজনক ব্যবসা কারণ এই ব্যবসা শুরু করতে আপনাকে তেমন বেশী টাকা বিনিয়োগ করতে হয়না। নিজের বেকারত্ব দূর করতে আপনি চাইলে যেকোনো সময় এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন।

কেন করবেন এই ব্যবসা? উত্তরে আপনার কাছেই আছে। যেমন, আপনি এখন যে মোবাইলটি ব্যবহার করছেন সেটির স্ক্রিন প্রটেক্টর কিন্তু বেশীদিন টিকে থাকতে পারেনা। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে নতুন প্রটেক্টর লাগাতে হয়।

সাধারণ একটি হিসাব যদি দেয়া যায় তাহলে, একটি স্ক্রিন প্রটেক্টর পাইকারিতে কিনতে আপনার খরচ হবে ৮ থেকে ১২ টাকা এবং আপনি বিক্রি করতে পারবেন ৪০ থেকে ১০০ টাকা। একটি আনুমানিক হিসাব দিলাম আরকি।

এই রকম মোবাইলের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক বস্তু রয়েছে যেগুলো মানুষের প্রায়ই দরকার হয়ে থাকে। যেমন,

  • ব্যাক কভার
  • স্ক্রিন প্রটেক্টর
  • চার্জার
  • পাওয়ার ব্যাংক
  • ডেটা ক্যাবল
  • হেড ফোন
  • মাইক্রো ফোন
  • মিনি চার্জার ফ্যান
  • মোবাইল পাখা ইত্যাদি।

আপনি যখন ব্যবসা শুরু করবেন তখন অন্যান্য যে সব পন্য রয়েছে সব গুলো ধীরে ধীরে চিনতে পারবেন। তাই আপনি চাইলে এই ব্যবসাটি নিজের ক্যারিয়ার হিসাবে নিতে পারেন।

আপনি ব্যবসা শুরু করার পূর্বে একটু ঢাকার গুলিস্থান থেকে পাইকারি দোকানে গিয়ে সব ধরণের পন্যের দাম জেনে নিতে পারেন। সমস্ত কিছু আগে জেনে নিলে ব্যবসা করা খুব সহজ হয়ে যায়।

১২. মোবাইল রিপেয়ারিং ব্যবসা

বর্তমান সয়ের ব্যবসার জন্য মোবাইল রিপেয়ারিং ব্যবসা অনেক বেশী লাভজনক। আমাদের মোবাইলে নানান সময়ে নানান রকম সমস্যার সৃষ্টি হয়েই থাকে।

আপনি জনি খেয়াল করেন দেখবেন ঢাকা এবং শহর ব্যতীত সাধারণ জায়গা গুলোতে মোবাইল রিপেয়ারিং এর জন্য তেমন ভালো কোন প্রতিষ্ঠান নেই বললেই চলে। না থাকার কারনে অনেকে রয়েছে শহর থেকে তাদের মোবাইল ঠিক করিয়ে নেয়।

দেশে যে পরিমাণ মোবাইল ব্যবহার কারীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে এই ব্যবসাটি আপনার জন্য অনেক বেশী লাভজনক হবে বলে আশা করা যায়।

কারণ মোবাইল যতদিন থাকবে তত দিন নষ্ট হবেই আর নষ্ট হলে সেটি সার্ভিসিং বা রিপেয়ার করতে হবেই। তাই আপনি একটি প্ল্যান সাজিয়ে আজ থেকেই এই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন।

আপনি খুব সহজেই অল্প পুঁজিতে এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন কিন্তু তার পুর্বে আপনাকে মোবাইল রিপেয়ারিং এর কাজ শিখে নিতে হবে। আমাদের দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা মোবাইল রিপেয়ারিং এর কাজ শিখিয়ে থাকে।

আপনি চাইলে তাদের কাছে থেকে একটি কোর্স করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আপনি কাজ শিখে সার্ভিস ভালো দিতে পারলে আপনার গ্রাহক ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে আর গ্রাহক যত বাড়বে আপনার পরিচিতি লাভ হবে।

পরিচিতি বাড়লেই আপনার ব্যবসা নিয়ে কোন সময় চিন্তা করতে হবেনা। থাহলে এখনই ৩ থেকে ৬ মাসের একটি কোর্স করে ব্যবসা শুরু করে দিন।

১৩. কম্পিউটার বা ল্যাপটপ রিপেয়ারিং ব্যবসা

মোবাইল রিপেয়ারিং এর মত এটিও একটি লাভজনক ব্যবসা। বর্তমান সময়ে কম্পিউটার যেন মানুষের একটি নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে সেই সাথে কম্পিউটার একটু পুরাতন হওয়ার পরেই নানা ধরণের সম্যসার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিভিন্ন ধরণের সমস্যা হলেও আমাদের তেমন কিছু করার থাকেনা নষ্ট হয়েই পরে থাকে কম্পিউটার।

নিজের অভিজ্ঞতা যদি শেয়ার করি তাহলে বলা যায়, আমি যে সমস্ত যায়গায় গিয়েছে দুই একটি মোবাইল রিপেয়ারিং এর দোকান পেয়েছি কিন্তু কম্পিউটার রিপেয়ার বা সার্ভিসিং এর জন্য ভালো কোন দোকান খুঁজে পাইনি।

এই সমস্যাটি দেশের প্রায় জায়গাতেই। আমাদের কম্পিউটার যদি নষ্ট হয় তাহলে শহর কিংবা ঢাকাতে যেতে হয়। এটি বলা যায় একটি হয়রানি।

তাই আপনি যদি এই ব্যবসাটি শুরু করেন তাহলে আশা করতে পারেন আপনার জন্য একটি লাভজনক ব্যবসা হবে। এই ব্যবসা করতে হলে আপনাকে ভালো অংকের টাকা ইনভেস্ট করতে হবে।

এর কারণ হচ্ছে মোবাইল এর চাইতে কম্পিউটারের জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশী। যেমন র‍্যাম, প্রসেসর, পাওয়ার সাপ্লাই, হার্ড ড্রাইভ সমস্ত কিছু আপনার স্টকে থাকতে হবে।

টাকার পাশাপাশি যে বিষয়টি সব চাইতে গুরুত্বপূর্ন সেটি হচ্ছে কাজের প্রতি অভিজ্ঞতা। তাই প্রথমেই আপনাকে কম্পিউটার সার্ভিসিং ভালোভাবে শিখতে হবে ও কোন পার্টস কি কাজ করে সমস্ত কিছু বিস্তারিতভাবে জেনে নিতে হবে।

কম্পিউটার সার্ভিসিং শিখতে হলে আপনার আশে পাশে কোন বড় ভাই অথবা কোন একটি দোকান থেকে শিখতে হবে। কাজ শিখে যাওয়ার পরেই আপনি আপনার ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন।

১৪. বিভিন্ন ধরণের গ্যাজেট ব্যবসা

সৌখিন হিসাবে বর্তমান সময়ে মানুষ বিভিন্ন ধরণের গ্যাজেট ব্যবহার করে রেখেছে। যেমন এক সময় মানুষ হাতের এনালগ ঘড়ি ব্যবহার করতে এবং তারপর আসলো ডিজিটাল ঘড়ি। বর্তমান এই ডিজিটাল ঘড়ি আস্ত একটি মোবাইলে রূপ নিয়েছে তাই মানুষের চাহিদা এটির উপরে প্রতিনিয়ত বেড়েই যাচ্ছে।

এমন অনেক পন্য রয়েছে যেগুলো দিয়ে আপনি ব্যবসা শুরু করে দিতে পারলে ভালোমানের লাভবান হতে পারবেন। আপনি যদি গ্যাজেট এর ব্যবসা শুরু করেন তাহলে সেই শপ একসময় অনলাইন শপে পরিণত করতে পারবেন।

শুধু তাই নয় আপনি দারাজ এর মত ই-কমার্স ওয়েবসাইটে নিজের পন্য বিক্রি করে দিতে পারবেন।

দিন দিন মানুষের যেমন ইলেকট্রনিক্স এর পন্যের উপর চাহিদা বাড়ছে এটি কোন সময় থামবেনা। তাই আপনি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসাবে সমাজে দাড় করাতে চাইলে এই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন।

১৫. গ্রসারি শপ ( মুদি দোকান )

গ্রাম হোক বা শহর সমস্ত যায়গায় এই লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে পারবেন। আপনার জন্য এটি অনেক ভালো একটি লাভজনক ব্যবসা হবে কারণ আমাদের প্রতিটি পরিবারে গ্রসারি পণ্যের দরকার হয় এবং সেটি আবার প্রতিদিন।

এই ব্যবসাতে লাভ একটু কম হলেও বিক্রি অনেক বেশী হয়ে থাকে। আবার গ্রসারি পন্যের মধ্যে এমন কিছু পন্য রয়েছে যেগুলোর লাভের পরিমাণ অনেক বেশী শুধু মাত্র কিছু পন্যে লাভ একটু কম।

তাই আপনি নিজের বাড়ির পাশে অথবা কোথাও একটু দোকান ভাড়া নিয়ে সেখানেই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারবেন। এটি এমন একটি ব্যবসা যেখানে তেমন কোন অভিজ্ঞতা না থাকলেও হয়।

আপনি এই ব্যবসার শুরু করে দিলে দেখতে পাবেন যে, এত পরিমাণ পন্য রয়েছে যেটি আপনি বিক্রি করে অনেক বেশী লাভবান হবে।

আপনি যদি গ্রাম অথবা শহরের গ্রসারির দোকানে যান তাহলে দেখতে পারবেন, তেল, ডাল, মসলা, সবজি, বিভিন্ন ধরণের ফল সমস্ত কিছু রয়েছে। সমস্ত পন্যের তালিকা দেয়া সম্ভব নয় তাই আপনি ব্যবসা শুরু করার পূর্বে একটু সমস্ত কিছু বিস্তারিত জেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন।

১৬. বেকারি ব্যবসা

আমি মনে করি আজ যে সমস্ত লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া দিয়েছি তার মধ্যে এটির চাহিদা অনেক বেশী কারণ বেকারির পন্য উচ্চ এবং নিম্ন সব ধরণের মানুষ খেয়ে থাকে। তাই এটি হতে পারে আপনার জন্য একটি গোল্ডেন চাঞ্জ।

আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের প্রায় এক বেলার খাবারের তালিকায় বেকারি পন্য থেকেই যায়। এখন আপনার হয়ত প্রশ্ন আসতে পারে কি এমন পন্য রয়েছে যেটি মানুষ তার এক বেলার নাস্তা বা খাবার তালিকায় রাখে?

এই যে পাউরুটি, কেক, আইস্ক্রিম এবং বিভিন্ন ধরণের মিস্টি খাদ্য সমস্ত কিছুই হচ্ছে বেকারি পন্য। আপনি একদম কম টাকা খরচ করেই এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

বেকারি ব্যবসা কয়েকভাবে করা যায় যেমন, আপনি চাইলে অন্য কারাও কাছে থেকে পন্য পাইকারিতে কিনে নিয়ে এসে একটু পরিমাণ লাভে সেটি দোকানে দোকানে পাইকারিতে বিক্রি করতে পারবেন।

আপনি চাইলে একটি বেকারি শপ দিয়ে নিজেই খুচরা বিক্রি করে অনেক বেশী লাভবান হতে পারবেন। তাছাড়া আপনি নিজের একটি বেকারির পন্য তৈরি কারখানা করতে পারেন।

কারখানা করতে হলে আপনাকে শুরুতেই জেনে নিতে হবে কিভাবে সমস্ত কিছু তৈরি করা হয়। জানার পর একজন কারিগর বেতন দিয়ে রাখতে পারেন অথবা প্রথম দিকে নিজেও তৈরি করতে পারেন।

১৭. টিস্যু পেপারের ব্যবসা

আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু গুলোর মধ্যে এটি একটি। আমাদের খাবার খাওয়া থেকে শুরু করে টয়লেট এর পর পর্যন্ত প্রায় সমস্ত কাজেই ব্যবহার হচ্ছে টিস্যু পেপার।

প্রতিদিন আমাদের দেশে যে পরিমাণ টিস্যু পেপার প্রয়োজন হয় সেটি হিসাব করা সম্ভব নয়। প্রতিদিন হাজার হাজার বান্ডেল পেপার খরচ হচ্ছে।

তাই আপনি চাইলে একটু টিস্যু পেপার তৈরি কারখানা গড়ে তুলতে পারেন। আপনি নিজে কোন একটু টিস্যু কোম্পানির ডিলারশিপ নিয়েও পন্য বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এই ব্যবসা করে আমাদের দেশের হাজার মানুষ হচ্ছে স্বাবলম্বী। তাই আপনিও এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

১৮. ফার্নিচারের ব্যবসা

আমাদের ঘর সাজানোর জন্য অতি প্রয়োজনীয় বস্তু হচ্ছে ফার্নিচার। আপনি ফার্নিচার ছাড়া নিজের ঘরকে সুন্দর করে তুলতে পারবেননা। আপনার যেমন ফার্নিচার পন্যের উপরে চাহিদা রয়েছে ঠিক তেমনি আমাদের দেশের অন্য মানুষের এই পন্যের উপর চাহিদা রয়েছে।

ফার্নিচার ব্যবসা আপনি দুইভাবে করতে পারবেন,

নতুন ফার্নিচার ব্যবসাঃ আমাদের দেশের বেশীরভাগ মানুষ তার ঘর সাজানোর জন্য নতুন ফার্নিচার ব্যবহার করে থাকে। আপনি একটু বড় একটি ঘর নিয়ে সেখানে কিছু কারিগর নিয়োগ দিয়ে তাদের মাধ্যমে কাজ করিয়ে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

যে কোন ব্যবসা উঠে দাঁড়াতে দরকার প্রচার এবং প্রসার। আপনি নিজে একটু কষ্ট করে প্রচার করবেন তারপর ভালো সার্ভিস দিবেন। সমস্ত কিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনার ব্যবসা অল্প দিনেই সফলতার মুখ দেখতে পাবে।

মনে রাখবেন ফার্নিচার ব্যবসার জন্য আপনাকে কোন ধরণের কাজ করতে হবেনা। শুধু দোকানে বসে অর্ডার নিবেন এবং সেগুলো তৈরি করিয়ে দেলিভারি করে দিবেন তাতেই হয়ে যাবে।

আপনি চাইলে ফার্নিচার তৈরি করে দেয়ার পাশাপাশি রেডিমেট কিছু তৈরি করে রেখে সেগুলো বিক্রি করতে পারবেন। অনেকেই রয়েছেন সময় সল্পতার কারনে রেডিমেট পন্য ক্রয় করে থাকে।

পুরাতন ফার্নিচার ব্যবসাঃ নতুন এর মত পুরাতন ফার্নিচার দিয়েও ব্যবসা হয়ে থাকে। অনেকেই রয়েছেন যারা তাদের পুরাতন ফার্নিচার গুলো বিক্রি করে দিয়ে নতুন ফার্নিচার ক্রয় করে থাকে।

আমাদের দেশের অনেক সৌখিন মানুষ রয়েছে যারা এক বছর হলেই তাদের ঘরের ফার্নিচার বিক্রি করে দিয়ে নতুন ফার্নিচার দিয়ে ঘর সাজিয়ে নেয়।

আপনি শুধু একটু খোঁজ রাখবেন কোথায় পুরাতন ফার্নিচার বিক্রি করে। তাছাড়াও যারা বিক্রি করে তারাও খুজতে থাকে তাদের পুরাতন ফার্নিচার গুলো কোথায় বিক্রি করবে।

আপনার মনে হয়ত একটি প্রশ্ন আসছে যে, পুরাতন ফার্নিচার কোথায় এবং কিভাবে বিক্রি করা যাবে? এর উত্তর হচ্ছে আমাদের দেশের অনেক মানুষ রয়েছেন যাদের সমস্ত কিছু নতুন ক্রয় করার সামর্থ থাকেনা।

তাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন পুরাতন ফার্নিচার ক্রায় করেত অনেক বেশী আগ্রহী। তাই আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

পুরাতন ফার্নিচারের পাশাপাশি আপনাকে নতুন ফার্নিচারও রাখতে হবে তাহলে আপনার সেল অনেক বেশী হবে। তাই আপনি অনায়সে ফার্নিচার ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

১৯. ভিডিও এবং ছবি তোলার ব্যবসা

বর্তমানমানে বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া গুলোর মধ্যে এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। আমাদের দেশের প্রতিটি বিয়ে বাড়িতে অথবা যেকোনো ব্যবসায়িক কাজে সমস্ত যায়গায় ভিডিও এবং ছবি তোলার দরকার হয়েই থাকে।

বেশীরভাগ সময় দেখা যায় যে সমস্ত ছবি তোলার কোম্পানির গড়ে উঠেছে তারা সব সময় ব্যস্ত থাকে এবং অনেক কাজ না করে দিতে হয় অথবা অনুষ্ঠানের তারিখ ও বদলে দিতে হয় কারণ বর্তমানে যেকোনো বিসয়কে ক্যামেরা বন্দি করে রাখতে সবাই চায়।

তাই হতে পারে আপনার জন্য এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। আপনি এই ব্যবসায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন তাহলে আপনি ভালো অংকের টাকা আয় করতে পারবেন।

এই ব্যবসা করতে চাইলে আপনাকে প্রথমেই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে সমস্ত কিছু বিস্তারিতভাবে জানতে হবে তার পর ইনভেস্ট এর দিকে তাকাতে হবে।

ক্যামেরা, ভিডিও ক্যামেরা, লাইটিং ইত্যাদি দরকার হবে। এর জন্য ভালো পরিমাণ টাকা খরচ হতে পারে। সেই সাথে আপনার কিছু কর্মচারি লাগবে যারা ছবি তুলতে এবং ভিডিও গ্রাফি করতে পারে।

২০. গিফট এর ব্যবসা

বাংলাদেশের ছোট ব্যবসা গুলোর মধ্যে এই ব্যবসাটি প্রথম সারিতে রয়েছে কারণ নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু সহ গিফট নিয়ে কাজ করে থাকে এই ব্যবসায়িক ক্যাটাগরি।

আমাদের দেশের প্রত্যন্ত এলাকা গুলোতে যখনি কোন অনুষ্ঠান হয় দরকার হয় গিফটের। শুধু তাই নয় বন্দু-বান্ধব থেকে শুভাকাঙ্ক্ষী সবাইকে এখন মানুষ কিছু না কিছু উপহার দিয়েই থাকে।

জন্মদিনের অনুষ্ঠানতো রয়েছেই, যেখানে গিফট ছাড়া যেন এটেন্ড করা যায়না। সব মিলিয়ে যদি দেখা যায় তাহলে এই ব্যবসাটি একটি লাভজনক ব্যবসা।

এটি থেকে আপনি অধিক পরিমাণে লাভ করতে পারবেন কারণ প্রায় বেশীরভাগ পন্যে লাভ বেশী হয়ে থাকে।

আপনি যদি একটু খেয়াল করেন তাহলে দেখতে পারবেন আমাদের দেশে স্পেসিফিক তেমন কোন গিফট বা উপাহারের দোকান নেই বললেই চলে। তাই আপনি যদি নিজের এলাকায় শহরের মধ্যে বা মকসল এলাকায় একটি গিফট এর দোকান করতে পারেন খুব তাড়াতাড়ি লাভবান হতে পারবেন।

২১. খেলনার ব্যবসা

এটিও একটি লাভজনক ব্যবসা কারণ প্রতিটি পরিবারেই একটি করে শিশু থাকে যাদের দরকার হয় খেলনার। শিশুর চাহিদা পূরন করতে খেলনা দরকার হয়েই থাকে।

কিন্তু আমাদের দেশে খেলনার জন্য স্পেসিফিক তেমন প্রতিষ্ঠান নেই বললেই চলে। তাই আপনি চাইলে নিজের এলাকায় একটি খেলনার দোকান করতেই পারেন।

ঢাকার চক বাজার থেকে কম দামে খেলনা নিয়ে এসে আপনি ভালোদামে বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন। তাই আপনি একটি প্ল্যান সাজিয়ে নিজের ব্যবসা শুরু করুন এবং নিজের বস নিয়ে হয়ে উঠুন।

২২. মুদি দোকান

অনেকে হয়ত ভাবতে পারেন মুদি ব্যবসার কথা বলা হচ্ছে কেন? মুদি পন্যের ব্যবসা এমন একটি ব্যবসা যেখানে আপনি ক্ষতির সম্মুখীন হবেননা।

আমাদের দেশে লাখ লাখ যুবক আছে যারা চাকরির আশায় সারাদিন ঘুরতে থাকে। কিন্তু একবারের জন্য চেষ্টা করেনা নিজে কিছু করার। তারা যদি চাকরি খোঁজার পাশাপাশি ছোট একটি ব্যবসা শুরু করে তাহলে তাদের আর বেকার থাকতে হয়না।

তাই আপনি চাইলে মুদি পন্যের ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। আমাদের দেশের লাখ লাখ যুবক লোক লজ্জার ভয়ে মুদি ব্যবসাকে ছোট ব্যবসা মনে করে করতেই চায়না।

যার ফলে বাড়ির মানুষের কথা শুনতে হয় কোন উপার্জন না থাকায়। তাই আপনার উচিৎ লোক লজ্জার ভয় না করে ব্যবসা শুরু করা। মনে রাখবেন আপনি বিপদে পড়লে অন্য কেও হাত বাড়িয়ে দিবেনা। তাই লজ্জা পাওয়ার কোন অবকাশ নেই বললেই চলে।

তাই আপনি যদি বেকার হয়ে থাকেন আজই শুরু করুন এই লাভজনক ব্যবসা। প্রতিটি বাড়িতেই প্রয়োজনের বস্তু হচ্ছে মুদি পন্য। প্রতিদিন কোন না কোন পরিবারের জন্য নতুন করে পন্য কিনতেই হয়।

তাই এই পন্যের চাহিদা কোন সময় শেষ হয়না এবং হবেও না। তাই আপনি কিছু টাকা ইনভেস্ট করে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

২৩. মোবাইল ব্যাংকিং

বর্তমান সময়ে এটি একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া কারণ এই সময়ে মানুষ টাকার লেনদেন বিভিন্ন ধরণের মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে করে থাকে। বিকাশ, রকেট, নগদের মত বিভিন্ন ধরণের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু রয়েছে আমাদের দেশে।

আপনি যদি মোবাইল ব্যাংকিং এর ব্যবসা শুরু করেন তার পাশাপাশি আপনি আপনার দোকানে অন্যান্য সব পন্য রাখতে পারবেন। বিভিন্ন ধরণের ইলেকট্রনিক্স পন্য যেমন, মোবাইল চার্জার, ব্যাটারি, স্ক্রিন প্রটেক্টর ইত্যাদি।

আমাদের দেশের মধ্যে এমন অনেক দোকান রয়েছে যারা মোবাইল ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ফ্লেক্সি লোড এবং মুদি ও কসমেটিক এর পন্য বিক্রি করে থাকে। এর ফলে তাদের ব্যবসা পরিণত হয় মাল্টি ক্যাটাগরির ব্যবসাতে।

তাই আপনি চাইলে এই ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। আশা করা যায় আপনি লাভজনক একজন ব্যবসায়ী হতে পারবেন। আপনার সফলতা কামনা করছি।

২৪. ৯৯+ দামের পন্যের দোকান

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা, যদি বলা হয় কি এমন লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া রয়েছে যে কম টাকা ইনভেস্ট করে অধিক লাভবান হওয়া যায়? আমি বলবো আপনি ৯৯+ টাকা মুল্যের পন্যের দোকান করুন। কারণ এই ব্যবসার জন্য যে সমস্ত পন্য রয়েছে সমস্ত পন্যে অধিক পরিমাণ লাভ হয়ে থাকে।

তাহলে একটু বিস্তারিত জানুন,

আমাদের দেশের মানুষের চাহিদার দিকে যদি লক্ষ্য করা হয় তাহলে দেখা যায় নিম্ন দামের পন্যের প্রতি চাহিদা একটু বেশী। এর কারণ হচ্ছে আমাদের দেশের বেশীরভাগ মানুষ নিম্ন আয়ের।

শুধু যে নিম্ন আয়ের মানুষের চাহিদা রয়েছে ৯৯ টাকা দামের পন্যের উপর সেটি কিন্তু একদমই ঠিক নয়। অনেক সময় দেখা যায় উচ্চ বিত্ত মানুষের সাধারণ ব্যবহারের জন্য এমন কিছু পন্য রয়েছে যেগুলো একটি ৯৯ টাকা এবং ৯৯ টাকা প্লাস এর দোকানে পাওয়া যায়।

আপনার দোকানটি শুদু ৯৯ টাকার মধ্যে পন্য না রেখে ৯৯ টাকার উপরে রাখুন। কারণ অনেক ক্ষেত্রে একটু বেশী দামের পন্য মানুষ খুজবে এবং ক্রয় করবে। তাই আপনার দোকানের না দিতে হবে ৯৯+।

আপনি যদি ঢাকার চক বাজারে গিয়ে থাকেন তাহলে দেখতে পাবেন সেখানে বিভিন্ন ধরণের পন্য রয়েছে যেগুলো মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয়। সেখান থেকে পাইকারি দামে পন্য ক্রয় করে আপনি বেশী লাভে বিক্রি করতে পারবেন।

এই ব্যবসাটি আপনি আপনার ক্যারিয়ার হিসাবে বেঁছে নিতে পারেন। এই ব্যবসা শুরু করতে আপনাকে তেমন বেশী টাকা ইনভেস্ট করতে হবেনা। আপনি যদি ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা ইনভেস্ট করেন তাহলে অনেক ভালো ব্যবসা করতে পারবেন।

আপনি চাইলে এর চাইতে কম টাকায়ও ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

কৃষি ভিত্তিক আরও কয়েকটি ব্যবসা বা কাজের কথা আলোচনা করা যাক,

আমাদের দেশ যেহেতু কৃষি ভিত্তিক দেশ তাই আপনি চাইলে এই কৃষিকে বেঁছে নিয়ে লাভজনক ব্যবসা করতে পারবেন। তাহলে জেনেনিন কি এমন ব্যবসা রয়েছে যেগুলো করলে আপনি কৃষিতে লাভবান হতে পারবেন?

২৫. সবজি চাষ বা ব্যবসা

মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় একটি পন্য হচ্ছে সবজি। আমাদের দেশের প্রধান খাদ্য হিসাবে ভাত এবং মাছকে ধরা হয়। তাই আমাদেরকে ডাকা হয় মাছে ভাতে বাঙ্গালি।

গ্রাম অঞ্চল থেকে শুরু করে শহর প্রতিটি যায়গায় মানুষ ভাত খেয়ে অভ্যস্ত। যদিয় অনেক যায়গায় চা এবং বিস্কিট খেয়ে সকালের নাস্তা করে থাকে তারপরেও হোটেল বলুন বা রেস্তরা বলুন সব যায়গায় সবজি দরকার হয়ে থাকে।

তাই আমাদের দেশের প্রচুর পরিমাণে সবজির দরকার হয়ে থাকে। তাই আপনি চাইলে নিজে চাষ করে সেই সবজি বাজারজাত করনের মাধ্যমে ভালো মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। দিন দিন যে পরিমাণ সবজির দাম বাড়ছে ব্যবসা করতে পারলে আপনার ভালোই লাভ হবে।

আপনি চাইলে নিজে চাষ না করে গ্রাম অঞ্চল থেকে সবজি পাকারি দামে কিনে নিয়ে খুচরা অথবা একটু বেশী দামে ঢাকার মধ্যে কোন একটি বাজারে সেল করতে পারেন।

আপনি শুধু ঢাকা নয় এলাকার যেকোনো একটু বাজারে আরৎ এ বিক্রি করে লাভবান হতে পারেন। তাই আপনি যদি আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য অনেক ভালো একটি ব্যবসা হবে বলে আশা করা যায়। গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া গুলোর মধ্যে এটি একটি ভালো ব্যবসা। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

২৬. মুরগির ফার্ম

এটি একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া। যদিয় আমাদের দেশের মধ্যে এটি একটু ব্যয় বহুল ব্যবসা। তারপরেও আপনি যদি কষ্ট করে এই ব্যবসা করতে পারেন তাহলে বছর বা কয়েক মাস পরেই ভালো মানের টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি চাইলে শুধু মাংস উৎপাদন করেও টাকা ইনকাম করতে পারবেন অথবা মাংস এবং ডিম উভয় বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আমাদের দেশের মধ্যে অনেক জাতের মুরগি পাওয়া যায় যেগুলো থেকে ডিম এবং মাংস উভয় পাওয়া যায়।

তাই আপনি একটু প্ল্যান করে ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন। নিজে পালন করে সেই মুরগি নিজেই বাজারে একটি দোকানের ব্যবস্থা করে নিজেই ভালো দামে মুরগি এবং ডিম উভয় বিক্রি করতে পারেন।

২৭. মাছ পালন ও ব্যবসা

মাছে ভাতে বাঙ্গালি হিসাবে আমদের প্রতিদিনের একটু খাদ্য তালিকা হচ্ছে মাছ। তাই আপনি নিজেই মাছ পালন করে নিজেকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারেন।

আমাদের দেশে যে পরিমাণ মাছের চাহিদা রয়েছে তাতে আপনি লাভজনক ভাবেই ব্যবসা করতে পারবেন। দেশে মাছের চাহিদার চাইতে উৎপাদন অনেক কম তাই দাম অনেক উর্ধে। তাই আপনি এই ব্যবসায় কোন ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন না।

আপনি মাছের ব্যবসা দুই ভাবে করতে পারবেন,

  • মাছ পালন করে নিজেই হারভেস্টিং করার মাধ্যমে
  • পুকুর থেকে মাছ সংগ্রহ করে পাইকারি দামে সেল করার মাধ্যমে

আপনি মাছ গুলো গ্রাম এবং শহরের বিভিন্ন যায়গায় বিক্রি করতে পারবেন। তাই চাইলে এই ব্যবসাটি করতে পারেন।

সমস্ত কিছুইতো বলা হলো আইটি সেক্টর বাকি থাকবে কেন? বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

২৮. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি

বাংলাদেশ সহ বিশ্বের প্রায় সব দেশের প্রতিদিন নতুন নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। ব্যবসা থেকে শুরু করে ব্যাক্তিগত কাজ আর হ্যা বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যবসার প্রসার প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে।

সময় পরিবর্তনের পাশাশাই মানুষের চাহিদা পরিবর্তন হবে আর সাথে সাথে মানুষ আইটি সেক্টর বেশী ব্যবহার করা শুরু করবে। যার ফলে প্রায় প্রতিটি কাজ ওয়েবসাইট দ্বারা করা হবে।

তাই আপনি যদি আগামির যাত্রাকে নিজের ব্যবসার জন্য ব্যয় করেন তাহলে আপনার সামনে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তাকিয়ে আছে।

তাই চাইলে আপনি ওয়েব সাইট ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি খুলতে পারেন।

একটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি গড়ে তুলতে হলে নেজে একজন ওয়েবডেভেলপার হতে হবে। তারপর একটি টিম সাজিয়ে কোম্পানি দাড় করাতে হবে।

আশা করি যারা আইটি সেক্টরে রয়েছেন তারা বিষয় গুলো সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। তাই আপনি যদি চান যে নিজের একটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি হোক তাহলে আপনি একটি প্ল্যান সাজিয়ে ব্যবসা শুরু করুন।

আর দেখুন,

২৯. অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি ( আইটি সেক্টর )

ওয়েব সাইটের পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি ওয়েবসাইট এবং বিভিন্ন ধরণের অ্যাপলিকেশন মোবাইল ফোনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে। এখন প্রায় সব ধরণের কোম্পানি তাদের অফিশিয়াল অ্যাপ লঞ্চ করছে।

বিশেষ করে আমাদের মধ্যে যারা অনলাইন শপিং করে তারা জেনে থাকবে যে বাংলাদেশে সহ বিশ্বের অনেক গুলো প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা অনলাইনে বিভিন্ন ধরণের পন্য বিক্রি করে থাকে। তারা তাদের পন্য গুলো বিক্রি করার জন্য ওয়েবসাইটের পাশাপাশি অ্যাপ লঞ্চ করে রেখেছে।

এর মূল কারণ হচ্ছে এখন বেশীর ভাগ মানুষ এন্ড্রয়েড এবং আইওএস অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে। তাই মানুষের সুবিধার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের অ্যাপ তৈরি করা হয়ে থাকে।

তাই আপনি যদি একজন অ্যাপ ডেভেলপার হয়ে থাকেন তাহলে নিজেই একটি অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি গড়ে তুলতে পারেন। একটি অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি গড়ে তুলতে চান তাহলে ওয়েব সাইটের মত একটি টিম বেজ কাজ করতে হবে।

যে কথা গুলো আপনার জানা জরুরী,

একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দাড় করাতে চাইলে বিভিন্ন ধরণের বাধা বিপত্তির মধ্যে সময় কাটাতে হয়। বিশেষ করে পারিবারিক এবং সামাজিক। ছোট একটি ব্যবসা শুরু করতে চাইলে পরিবার থেকে বাধা প্রাপ্ত হয়।

না হলে মনের মধ্যে এইটি সংশয় থাকে লোকে কি বলবে। ভাই হউন অথবা বোন আপনাদের জন্য একটি উপদেশ আমার পক্ষ থেকে, কোন কাজই কোন সময় ছোট হতে পারেনা।

তাই সমস্ত পিছুটান ফেলে রেখে বড় কিন্তু ক্ষুদ্র হোক যেকোনো একটি ব্যবসা শুরু করে দিন। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গুলোর মধ্যে যেটি আপনি সফলভাবে করতে পারবেন সেটি গ্রহন করবেন।

আজকের এই লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া আর্টিকেলটি আপনার কেমন লেগেছে সেটি অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন।

শেষ কথা

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা নিয়ে আজকের এই আর্টিকেলে কয়েকটি ব্যবসার আইডিয়ায় দেয়ার করেছি। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা এর আইডিয়া গুলো আপনার কাছে কেমন লেগেছে সেটি অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন।

তাছাড়াও আপনার যদি কিছু জানার থাকে অবশ্যই প্রশ্ন করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *